Brazil is the most successful national team in the history of the World Cup, having won five titles, earning second place, third place and fourth place finishes twice each. Brazil is one of four countries along with Argentina, Spain and Germany to win a FIFA World Cup away from its continent (Sweden 1958, Chile 1962, Mexico 1970, United States 1994 and South Korea/Japan 2002). Brazil is also the only national team to have played in all FIFA World Cup editions without any absence or need for play-offs. Brazil also has the best overall performance in World Cup history in both proportional and absolute terms, with a record of 76 victories in 114 matches played, 129 goal difference, 247 points and only 19 losses across 22 tournaments.[1][2]
Traditionally, Brazil’s greatest rival is Argentina. The two countries have met each other four times in the history of the FIFA World Cup, with two wins for Brazil (West Germany 1974 and Spain 1982), one for Argentina (Italy 1990) and a draw (Argentina 1978). The country that played the most matches against Brazil at the World Cup is Sweden: seven times, with five wins for Brazil and two draws. Three other historical rivals are Italy, which lost two World Cup finals against Brazil and eliminated the Brazilians in two tournaments (France 1938 and Spain 1982), France, which has defeated Brazil on three occasions (Mexico 1986, France 1998 and Germany 2006), and the Netherlands, which has eliminated Brazil at two of their five meetings (West Germany 1974 and South Africa 2010), and won the match for third place in Brazil 2014.
Iranian media reported that Tehran has not yet taken a final decision on the framework agreement, with reviews of its political, legal and technical aspects still ongoingIranian media reported that Tehran has not yet taken a final decision on the framework agreement, with reviews of its political, legal and technical aspects still ongoing.
বাজেট নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির একাংশের নেতারা। রাজধানীর গুলশানে, ১৩ জুনছবি: জাতীয় পার্টির একাংশের সৌজন্যে
বিএনপি সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে ঘাটতি ও ঋণনির্ভরতার বাজেট হিসেবে বর্ণনা করেছেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তিনি বলেছেন, এবারের বাজেট সম্ভাবনার আলোকবর্তিকা এবং বাস্তবায়নের এক কঠিন পরীক্ষার নাম।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানের বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এ কথা বলেন। বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
জয় দিয়ে শুরু কে না চায়? ব্রাজিল চেয়েছিল, মরক্কোও চেয়েছিল। দুই দলের ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে। তবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের জন্য এই ড্র হজম করা একটু কঠিনই। শিরোপাপ্রত্যাশী দল হিসেবে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে কে কেমন খেললেন, এ নিয়ে চলছে বিস্তর কাটাছেঁড়া।
গোল ডট কমের রেটিংয়ে জেনে নিতে পারেন মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের খেলোয়াড়েরা কে কত নম্বর পাওয়ার মতো খেলেছেন।
In 2008, McGregor began competing professionally in mixed martial arts (MMA), fighting in the lightweight and featherweight divisions. He won the CWFC Featherweight and Lightweight Championships in 2012 before signing with the UFC in 2013. After five consecutive wins, he won the Interim Featherweight Championship by defeating Chad Mendes at UFC 189. He became the undisputed Featherweight Champion at UFC 194 after knocking out José Aldo in 13 seconds, which is the fastest finish in UFC title fight history.[12] In 2016, he won the UFC Lightweight Championship at UFC 205 by defeating Eddie Alvarez.[13] He transitioned briefly to professional boxing, facing Floyd Mayweather Jr. in a highly publicised bout, which he lost via TKO in the 10th round.[14] He returned to MMA and challenged for the UFC Lightweight Championship at UFC 229, losing to Khabib Nurmagomedov via submission.[15]
ভিনি ৮, রাফিনিয়া ৬—ব্রাজিলের ফুটবলাররা কে কেমন খেললেন
খেলা ডেস্ক
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১৩: ৪৪
বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১–১ ড্র করেছে ব্রাজিলএএফপি
জয় দিয়ে শুরু কে না চায়? ব্রাজিল চেয়েছিল, মরক্কোও চেয়েছিল। দুই দলের ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে। তবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের জন্য এই ড্র হজম করা একটু কঠিনই। শিরোপাপ্রত্যাশী দল হিসেবে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে কে কেমন খেললেন, এ নিয়ে চলছে বিস্তর কাটাছেঁড়া।
গোল ডট কমের রেটিংয়ে জেনে নিতে পারেন মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের খেলোয়াড়েরা কে কত নম্বর পাওয়ার মতো খেলেছেন।
আলিসন — ৬/১০
কয়েকটি দারুণ সেভ করেছেন। তবে মরক্কোর গোলটি ঠেকানোর কিছু ছিল না তার হাতে।
রজার ইবানিয়েজ — ৪/১০
মাঠে থাকা প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিট ছিল রীতিমতো দুঃস্বপ্নের। বারবার মরক্কোর আক্রমণের মুখে খেই হারিয়েছেন। ৩১ বার বলে টাচ, দুটি ড্রিবলের একটিতে গড়বড় করেছেন। গ্রাউন্ড ডুয়েলসে ৯টির ৫টিতে ব্যর্থ।
মারকিনিওস — ৫/১০
লং পাস ৭টির ছয়টিই ঠিকঠাক পৌঁছেছে, হেডে ক্লিয়ারেন্স আছে ৩টি। মরক্কোর গোলের সময় জায়গামতো ছিলেন না।
গ্যাব্রিয়েল — ৬/১০
মরক্কোর গোলের জন্য মারকিনিওসের মতো সমানভাবে দায়ী। তবে এরপর ভালো খেলেছেন। রক্ষণে ক্লিয়ারেন্স, ব্লক ও ট্যাকল মিলিয়ে ৯ বার পরিষ্কার অবদান রেখেছেন।গোল হজমের পর গ্যাব্রিয়েল ভালো খেলেছেনএএফপি
ডগলাস সান্তোস —৫/১০
ছয়বার বল পুনরুদ্ধার করতে পেরেছেন, গ্রাউন্ড ডুয়েল জিতেছেন ৯ বারের সাতবার। তবে ৩২ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডারকে মোটের ওপর আত্মবিশ্বাসী দেখা যায়নি। বয়সের ছাপ ছিল স্পষ্ট।
কাসেমিরো — ৪/১০
মিডফিল্ডে সত্যিকার অর্থেই বাজে খেলেছেন। খেলার গতির সঙ্গে তাল মেলাতে পারেননি, বিরতির আগেই হলুদ কার্ড পেয়েছেন, এরপর বিরতিতেই তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়।
ব্রুনো গিমারাইস —৬/১০
মিডফিল্ড জুটির মধ্যে তুলনামূলকভাবে ভালো ছিলেন। ভিনির গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন, মাঠের বড় অংশ কভার করেছেন।ভিনির গোলে অ্যাসিস্ট ছিল গিমারাইসেরএএফপি
লুকাস পাকেতা —৫/১০
প্রথমার্ধের বেশির ভাগ সময় মাঠে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে ফাইনাল থার্ডে ১০টি পাস আর গোলমুখে একটি শটে কিছুটা ঝলকও দেখা গেছে। মরক্কো গোলকিপার একটি দারুণ সেভ না করলে হয়তো গোলও পেতেন।
রাফিনিয়া — ৬/১০
প্রথমার্ধে বলের নিয়ন্ত্রণে একটু বেশিই গড়বড় করেছেন। দ্বিতীয়ার্ধে কিছু সুযোগ তৈরি করেছেন। ম্যাচে যৌথভাবে সবচেয়ে বেশি ৩টি সুযোগ তৈরি করেছেন, প্রতিপক্ষের বক্সেও বল স্পর্শ করেছেন পাঁচবার। তবে তাঁর আরও বেশি দেওয়ার সুযোগ ছিল।রাফিনিয়ার কাছ থেকে আরও বেশি প্রত্যাশা ছিল ব্রাজিলেরএএফপি
ইগর থিয়াগো —৬/১০
কিছু মুহূর্তে বল ধরে রেখেছেন ভালোভাবে। একটি বড় সুযোগ নষ্ট করেচেন। সামগ্রিকভাবে খুব কমই চোখে পড়েছেন।
ভিনিসিয়ুস জুনিয়র —৮/১০
প্রথম সুযোগ পেয়েই গোল করেছেন। এরপরও বিপজ্জনক ছিলেন প্রতিনিয়ত। মরক্কোর বক্সে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ৫টি টাচ করেছেন। আরও এক-দুটি গোল না হওয়াটা দুর্ভাগ্যের।ভিনিসিয়ুস ছিলেন ব্রাজিলের সেরা পারফরমারএএফপি
দানিলো (রাইট ব্যাক) —৬/১০
দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে ছিলেন। ফুল ব্যাক হিসেবে যতটুকু করার, খারাপ করেননি।
ফাবিনিও —৬/১০
শরীরী ফুটবল খেলেছেন, আবার বেশ জায়গাও কাভার করেছেন। তবে উল্লেখযোগ্য তেমন কিছু করতে পারেননি।
মাথেউস কুনিয়া — ৬/১০
বদলি নেমে বাড়তি এনার্জি আনতে পেরেছেন দলে। তবে আক্রমণের ধার বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারেননি।
লুইজ এনরিকে — ৫/১০
৩০ মিনিটে ১৪টি টাচ। বেশ হতাশাজনক।কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ অভিষেক ছিল কার্লো আনচেলত্তিরএএফপি
কোচ: কার্লো আনচেলোত্তি — ৫/১০
বিশ্বকাপ অভিষেকটা মিশ্রই হলো। মরক্কো খারাপ দল নয়, তবে ব্রাজিল নিশ্চিতভাবেই আরও বেশি কিছু করতে পারত।
২০০২ বিশ্বকাপে তৃতীয় হয়ে চমকে দিয়েছিল তুরস্ক। এরপর দীর্ঘ ২৪ বছর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা মেলেনি তাদের। অবশেষে বিশ্বকাপে ফিরল তারা, তাও ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোয় খেলা একদল প্রতিভাবান ফুটবলারকে নিয়ে। কিন্তু প্রত্যাবর্তনের গল্পটা সুখের হলো না। প্রথম ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে ২-০ গোলে হেরেছে তুরস্ক।
ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের নায়ক একাধিকজন। নেস্তুরি ইরানকুন্ডা ও কনর মেটকাফ গোল করেছেন, তবে সবচেয়ে বড় অবদান গোলকিপার প্যাট্রিক বিচের। ২২ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক ৮টি সেভ করে তুরস্ককে হতাশায় ডুবিয়েছেন।
এক দিন আগেই তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষা হয়েছিল, পেয়েছিলেন ভালো খবরও। পরদিন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ নেমে পড়েছিলেন গ্লাভস হাতে। কিন্তু গ্লাভস হাতে অনুশীলনের দ্বিতীয় দিনে এসে অস্বস্তিতে পড়েছেন তিনি। তাতে আর্জেন্টিনার জন্য দুশ্চিন্তাও বেড়েছে।
অনুশীলনের শুরুতে আলবিসেলেস্তে গোলরক্ষক দুই হাতেই গ্লাভস পরে নামেন। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অস্বস্তি বোধ করেন, ব্যথায় কাতরাতেও দেখা যায় তাঁকে।
বৈশ্বিক অস্থিরতা, যুদ্ধ বা অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিলে সাধারণত বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ বিনিয়োগমাধ্যম হিসেবে সোনার দিকে ঝোঁকেন। ফলে মূল্যবান ধাতুটির দামও বেড়ে যায়। কিন্তু এবার চিত্রটা ভিন্ন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে হামলা চালিয়ে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে সোনার দাম বরং নিম্নমুখী। চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি প্রতি ট্রয় আউন্স (৩১ দশমিক ১ গ্রাম) সোনার দাম সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৩০৩ ডলারে উঠেছিল। গত শুক্রবার তা ৪ হাজার ২৩৫ ডলারে ।
টাকার সংকট কাটাতে ইসলামী ব্যাংককে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বিশেষ ধার দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ রোববার সকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নেয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকে থাকা ইসলামী ব্যাংকের চলতি হিসাবে এই টাকা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ব্যাংকটির চেক নিষ্পত্তি আবার চালু হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসলামী ব্যাংকের শীর্ষ এক কর্মকর্তা জানান, নগদ টাকার চাহিদা বেশি তৈরি হয়েছে। টাকা জমা নেই বললেই চলে, সবাই টাকা তুলতে চাইছেন। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে শাখা বন্ধ রাখা ছাড়া বিকল্প থাকবে না। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যাতে গ্রাহকের আস্থা ফিরে আসে।